মঙ্গলবার | ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ ইং |

আজীজীর ছবি ও আড়াইহাজার

সফুরউদ্দিন প্রভাত:  সালাউদ্দীন আজীজীর প্রতিটি ছবি যেন এক একটি জানালা। যে জানালায় চোখ রাখামাত্র হারিয়ে যাওয়া যায় শীতের ভোরে কোনো আগন্তুকের চলার পথের সাথি হয়ে, পকু রে এইমাত্র ডুব দিয়ে ওঠা দুরন্ত কিশোরীর সঙ্গে, শিশুর মায়াবী হাসিতে, কর্মজীবী নারীর রোজনামচায় কিংবা মেঘলা দিনের শান্ত মেঘনার তীরে। আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপরা ইউনিয়নের আতাদি গ্রামের এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া সালাউদ্দিন আজীজীর ছেলেবেলা থেকেই বড় ভাইয়ের বক্স ক্যামেরায় ছবি তোলা দেখেই নিজের মধ্যে শখ জাগে। সেই শখ থেকেই মাত্র নয় বছরে বয়সে জীবনে ক্যামেরায় শাটারে টিপ দেয়ার মধ্য দিয়ে তার ছবি তোলা কাজ শুরু হয়। একটা ছবি হাজার শব্দের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। চৈনিক এ প্রবাদের আবেদন কখনো কমেনি। বরং তথ্য প্রযুক্তির এ যগে প্রবাদটির জৌলুস আরো বহুগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে তাজা খবরের সঙ্গে তাজা ছবির ব্যবহার আরো প্রাণবন্ত ও বিনোদিত করে তোলে ডিজিটাল পাঠকদের। সেই চিন্তা চেতনাকে বুকে ধারন করে সালাউদ্দীন আজীজী তার ক্যামেরা নিয়ে ছুটে চলছেন বিভিন্ন প্রান্তে। তবে আড়াইহাজারের অপার সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দি করেই তিনি সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়েছেন। তাঁর ক্যামেরাবন্দি অধিকাংশ দৃশ্যই আড়াইহাজারকে ঘিরে। সালাউদ্দীন আজীজীর অসংখ্য ছবি পৃথিবীর অনেক দেশে স্বনামধন্য পত্র-পত্রিকায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে Reader’s Digest U.K, The Washingtion Post, The Gulf weekly  অন্যতম। তাছাড়া পৃথিবীর নামী-দামী আন্তজার্তিক ফটো প্রতিযোগিতায় অনেক মর্যাদাপর্ণ পু রস্কার লাভ করে তিনি দেশের সুনাম বয়ে এনেছেন। উল্লেখ্যযোগ্য পুরস্কারে মধ্যে ACCU Photo Contest Japan-1998 (1st Prize), 57 Asahi Shmmun Photo Contest, Japan, Gold Medal অন্যতম। সালাউদ্দীন আজীজী যে শুধু আলোকচিত্রী হিসেবেই সেরা তা কিন্তু নয়, তিনি ফিল্ম মেকার হিসেবে ইতিমধ্যে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছেন।এছাড়া  সালাউদ্দীন আজীজী ও কার পরিবার আড়াইহাজার উপজেলায় বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত রেখেছেন। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে অসহায় ও দুস্থাদের পাশে থেকে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। সালাউদ্দীন আজীজী আমাদের অহংকার। আড়াইহাজারের গর্বিত সন্তান।

লেখক : সম্পাদক, আলোর পথযাত্রী ও প্রতিনিধি দৈনিক সমকাল।

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *